প্রবচন ব্লগ টেলিগ্রাম গ্রুপ

সমস্ত নোটস এবং টিউটোরিয়াল পেতে টেলিগ্রাম স্টুডেন্টস কমিউনিটি গ্রুপে জয়েন করুন

এখনই যোগ দিন

প্রবচনে আপনিও লিখুন

নিজের ক্রিয়েটিভিটি লেখার মাধ্যমে ছড়িয়ে দিতে এখনই যোগ দিন

এখনই যোগ দিন

কিয়ামুল লাইল - Qiyamul Lail

শাইখ আহমাদ মুসা জিবরিল এর কিয়ামুল লাইল Qiyamul Lail সম্পূর্ণ
মূল বিষয়টা হচ্ছে রমাদানের পরও সারা বছর কীভাবে আমলের ওপর থাকা যায়, রমাদানের পরও একজন মুসলিম কীভাবে নেককার থাকতে পারবে। একটি আমলের ব্যাপারে উন্মাহর অধিকাংশের ধারণা, এটা কেবল রমাদানেরই বিশেষ বৈশিষ্ট্য। অথচ এটি এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত যার মাধ্যমে একজন মুসলিম নিজেই বুঝতে পারে, সে আসলেই আল্লাহকে ভালোবাসে কি-না বা আল্লাহ তাকে ভালোবাসেন কি-না। আর এই গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতটি হলো কিয়াম ও তাহাজ্জুদ, রমাদানে একে তারাবিহ বলা হয়। [1] এ হলো নেককারদের বিদ্যাপীঠ। কিয়াম ও তাহাজ্জুদ মুমিনের প্রশান্তি। কেউ যখন কোনো সমস্যায় পড়ে, তখন এই রাতের সালাত ও কিয়াম হয় তার সমস্যার সমাধান।


অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, যারা নিজেদের আল্লাহ, রাসূল ﷺ ও ইসলামকে ভালোবাসার দাবি করেন, তারা বিভিন্ন ওয়েবসাইটে তাদের মনোভাব প্রকাশ করেন, ফেসবুক পোস্টে লাইক দেন, হয়তো তাদের গাড়ির বাম্পারেও এর স্টিকার লাগান। তবে মানুষজন আল্লাহকে সত্যিই ভালোবাসে কি-না, তা তাহাজ্জুদই নির্ধারণ করে

আল্লাহ الله বলেন, 

“যে ব্যক্তি রাতের বেলায় সাজদাহরত বা দাঁড়ানো থাকে, পরকালের ভয় করে এবং নিজ রবের অনুগ্রহ প্রত্যাশা করে, সে কি তার সমান যে এমনটি করে না? বলুন, “যারা জানে আর যারা জানে না, তারা কি সমান হতে পারে?” বন্তত বুদ্ধিমানেরাই উপদেশ গ্রহণ করে থাকে।[2]

এখানে মূলত আল্লাহ الله কিয়াম ও তাহাজ্জুদ আদায়কারীকে তাহাজ্জুদহীন ব্যক্তিদের সাথে তুলনা করতে নিষেধ করেছেন। পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের পর সর্বোত্তম সালাত হচ্ছে কিয়ামূল লাইল। তাহাজ্জুদ হলো

মুমিনের সম্মান। কিয়াম ও তাহাজ্জুদ হাশরের মাঠের উজ্জ্বলতা।


তাহাজ্জুদ কুরআনে বর্ণিত মুমিনদের বৈশিষ্ট্য;

আল্লাহ الله বলেন, 





"রহমানের বান্দা তারাই, যারা পৃথিবীতে নম্রভাবে চলাফেরা করে এবং মূর্খরা যখন তাদের অভদ্রভাবে সম্বোধন করে তখন তারা বলে__সালাম। আর তারা তাদের রবের উদ্দেশ্যে সাজদাহরত ও দণ্ডায়মান অবস্থায় রাত কাটায়।"

যারা সর্বশক্তিমান আল্লাহর সাথে একান্তে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত করতে চায়, তাদের জন্য রাতের সবচেয়ে মূল্যবান সময় হচ্ছে তাহাজ্জুদ। সালাফদের পরিবার গুলোর দিকে তাকান, তাঁদের সাথে নিজেদের তুলনা করুন।

আবু হুরাইরা (রাঃ) রাতকে তিনটি অংশে ভাগ করতেন। একভাগ নিজে, একভাগ তাঁর খাদেম এবং এক ভাগ তাঁর স্ত্রী ইবাদত করতেন। জাবির ইবনু আব্‌দিল্লাহ (রাঃ) এ বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন,
'রাতেরবেলা এমন একটি সময় আছে, যে সময় একজন মুসলিন আল্লাহর কাছে উত্তম যা-ই চাইবে আল্লাহ্‌ তাকে তাই দেবেন।' [4]

আবু হুরাইরা (রাঃ) -এর পরিবার আল্লাহর রহমতপ্রাপ্ত। উদারহরণস্বরূপ, তাঁদের যদি কোনোকিছুর প্রয়োজন হতো, তবে তিনি, তাঁর খাদেম ও স্ত্রী সবাই মিলে আল্লাহর কাছে চাইতেন; গোটা রাত তাঁরা ক্ষমাপ্রার্থনা, দুআ ও সালাতে কাটিয়ে দিতেন, একমুহূর্তও বাদ যেত না। আল্লাহ কি এই ডাকাডাকির প্রতি সাড়া দেবেন না?

আল্লাহ সেই পুরুষের ওপর সন্তুষ্ট হন, যে রাতের বেলা ঘুম থেকে জাগে ও ইবাদত করে। তারপর সে তাঁর স্ত্রীকে ডেকে দেয়, আর যদি সে উঠতে অস্বীকৃতি জানায় তাহলে মুখে পানির ছিটা দিয়ে তার ঘুম ভাঙায়।”

হাদীসের অপর অংশে বলা হয়েছে,
“সেই নারীর ওপর আল্লাহ সন্তুষ্ট হন, যে নিজে রাতে জাগে, ইবাদত করে এবং স্বামীকে ডেকে দেয়। আর যদি সে উঠতে অস্বীকৃতি জানায়, তাহলে তার মুখে পানির ছিটা দিয়ে ঘুম ভাঙায়।”[5]
মনোমুগ্ধকর একটি হাদীস! অনন্য হাদীস। একটি পরিবারকে একসাথে আল্লাহর ইবাদত করতে এবং পরিবারের একে অপরকে এজন্য উৎসাহ প্রদান করতে এই হাদীস উদ্দীপ্ত করে। একটি ভালোবাসাময় পরিবার, যেখানে স্বামী স্ত্রী কেউ কারও ওপর বলপ্রয়োগ করছে না, তারা দুজনই ঘুম থেকে জাগতে চায়। তারা একে অপরকে আদর করে বলছে_ প্রিয়, আমি যদি আল্লাহর ইবাদতের জন্য ঘুম থেকে না উঠতে পারি, তবে আমাকে পানির ছিটা দিয়ে জাগিয়ে দেবে।

আমি কসম করে বলতে পারি, একজন স্বামী কিংবা স্ত্রী, কেউ যদি ইখলাসের সাথে ধারাবাহিকভাবে আল্লাহর জন্য এমনটা করে থাকে, তবে তারা এ যাবৎকালের সবচেয়ে সুখী দাম্পত্য জীবনের অধিকারী হবে।

আপনার বিবাহিত জীবনে সমস্যা চলছে, তাহলে তাহাজ্জুদই সমাধান। আপনি ও আপনার স্ত্রী ওঠুন। একটি পরিবারে স্বামী তার স্ত্রীকে ইবাদতের জন্য পানির ছিটা দিয়ে ঘুম থেকে জাগাতে চায়, স্ত্রীও তার স্বামীকে এভাবে জাগাতে চায়, তাহলে এমন একটি পরিবারে কীভাবে কলহ-বিবাদ থাকতে পারে। এই ধরনের পরিবারের সন্তানদের বেড়ে উঠার সাথে সালাহউদ্দিন আইয়ুবি ও উমার ইবনুল খাত্তাব এর সন্তানদের বেড়ে উঠার মাঝে কি কোনো পার্থক্য থাকতে পারে? ভবিষ্যতে তাদের সন্তানদের ওপর এটি কী ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে? অনেক সময় ছেলেমেয়েদের ভালোভাবে গড়ে তুললেও তারা নষ্ট হয়ে যায়। আল্লাহ ই বলেছেন,
“তুমি যাকে পছন্দ করো, ইচ্ছে করলেই তাকে সুপথে আনতে পারো না; বরং আল্লাহই যাকে চান সুপথে আনেন।”
যাহোক, একটি শিশু তার জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় ঘটনাটি কখনো ভুলে না, এমনকি অনেক বছর পার হয়ে গেলেও সে মনে রাখে। আমার দাওয়াহ জীবনের অভিজ্ঞতালব্দ জ্ঞান, একদিন সে ঠিকই বলবে__ওয়াল্লাহি, তুমি ঠিক বলেছো। আমি প্রতিরাতে আমার বাবা-মাকে রাতের শেষাংশে উঠে সালাত আদায় করতে দেখতাম। বিষয়টি তাদের অন্তরে গেঁথে যায়, কখনো বিপথগামী হলে এটা তাদের ভুল পথ থেকে একসময় হিদায়াতের দিকে ফিরিয়ে আনে।

উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) তাঁর পুরো পরিবারকে ফজরের আগেই ডেকে ওঠাতেন, তাদের এই আয়াত তিলাওয়াত করে শোনাতেন,
-আপনি আপনার পরিবারের লোকদের সালাতের আদেশ দিন এবং নিজেও এর ওপর অবিচল থাকুন"
“যখন একজন মানুষ তার স্ত্রীকে রাতে ঘুম থেকে জাগিয়ে তোলে এবং একাকী অথবা জামায়াতে মাত্র দুই রাকাআত সালাত আদায় করে, তবে তাদের যাকিরিনের অন্তর্ভুক্ত করা হয়”[8]
সুবহানাল্লাহ, মাত্র দুই রাকাআত সালাত আদায় করলেই যাকিরিনের অন্তর্ভূক্ত হওয়া যায়। যাকিরিন কারা?

“আর আল্লাহকে অধিক স্মরণকারী (যাকিরিন) পুরুষ ও নারীদের জন্য আল্লাহ প্রন্তত রেখেছেন ক্ষমা ও মহাপুরষ্কার।"[9]
আল্লাহর সান্নিধ্যে রাত অতিবাহিত করা কতই না চমৎকার! কিন্তু অনেকেই টিভির চ্যানেল পরিবর্তন করতে করতে রাত পার করাকে পছন্দ করে। আবার অনেকে ইন্টারনেট ব্রাউজ করে রাত পার করে দেয়, এভাবে তারা ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটিয়ে দেয়। কেউ মেয়েদের সাথে, কেউ মদের সাথে আবার কেউ কেউ আছে যারা এমন অর্থহীন কাজের মাঝে ডুবে থাকে যেগুলো না হালাল না হারাম। অনেকেই যারা রাতের সালাতে ঘুম থেকে ওঠে না, শয়তান তাদের কানে প্রস্রাব করে দেয়। অপরদিকে সত্যিকার অর্থেই আল্লাহকে ভালবাসে এবং আল্লাহর সান্নিধ্যে রাত অতিবাহিত করা পছন্দ করে এমন লোক পাওয়া খুবই দুষ্কর।

আল্লাহ الله কাউকে ভালবাসেন কি-না কিংবা তার ওপর সন্তষ্ট কি-না, এ ব্যাপারে নিশ্চিত হতে সবচেয়ে বড় নির্দেশক হচ্ছে, সে ব্যক্তি রাতের সালাত নিয়মিত আদায় করতে পারছে কি-না। যদি আপনি নিয়মিতভাবে তাহাজ্জুদ আদায় করতে পারেন, তবে নিশ্চিত থাকুন আপনি আল্লাহর কাছে মর্যাদাবানদের অন্তর্ভুক্ত। ব্যাপারটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ, আল্লাহ الله কারও ওপর কতটুকু সন্তুষ্ট, তা বোঝার সর্বোত্তম উপায় হলো সে ব্যক্তি নিয়মিত রাতের সালাত আদায় করতে পারছে কি-না। কেবল বিশেষ কিছু জন্য কবুল করেন। আল্লাহ الله শুধু তাদেরকেই এই সম্মান প্রদান করেন যারা এই সম্মান পাবার যোগ্য। আল্লাহ الله ওই সময়ের জন্য কেন পছন্দ করলেন, এটা কি এজন্য সে দেখতে কেমন কিংবা তার স্যুট ও টাই আছে অথবা মেয়েটি সুন্দর মেকয়াপ নিয়েছে?

না, এর কোনোটিই নয় বরং এটা নির্ভর করে বান্দার পাপ ও আমলের ওপর যে, বান্দা আল্লাহর কতটা নৈকট্যশীল। ব্যাপারটি গুরুত্বের সাথে মনে রাখা দরকার, কেউ যদি বিনয়, নম্রতা, আন্তরিকতা, ভয় ও নিষ্ঠার সাথে রাতে সুন্দরভাবে কুরআনের পবিত্র আয়াত তিলাওয়াত করে, তবে সে আল্লাহর নির্বাচিতদের অন্তর্ভুক্ত হবে। যদি কেউ আল্লাহর কালামে আল্লাহর সঙ্গে কথা বলে আনন্দ অনুভব করে, আল্লাহর বাণী দ্বারা নিজ অন্ধকার ঘরকে আলোকিত করে, তবে বুঝে নিতে হবে, আল্লাহ الله তাঁর এই বান্দাকে ভালবাসেন, সে এর যোগ্য ছিলো।

এটা কোনো বানানো গল্প নয়। এক ব্যক্তি ইবরাহীম ইবনে আদহাম (রহ.)-এর কাছে এসে বললো,
“আমি তাহাজ্জুদ আদায় করতে চাই, কিয়াম করতে চাই, কিন্তু রাতে উঠতে পারি না, কেন?"

হুবহু এমন একটি ঘটনাটি ফুযাইল ইবনু ইয়ায (রহ.)-এর নামেও বলা হয়ে থাকে যে, এক লোক ফুযাইল ইবনু ইয়ায (রহ.)-কেও এমন প্রশ্ন করেছিলো। যাহোক, ইবরাহিম ইবনু আদহাম (রহ.) বললেন, “তুমি দিনে পাপে লিপ্ত থাকলে রাতের সালাতের জন্য উঠতে পারবে না।”

রাতে সালাতে আল্লাহর সামনে দাঁড়ানো এমন এক সম্মান, পাপীরা যা পাওয়ার যোগ্যতা রাখে না। দুজন বিখ্যাত তাবিয়িরও এমন হয়েছিলো।

সুফিয়ান আস-সাওরি এ বলেন, “আমার একটি পাপের কারণে আমি লাগাতার পাঁচ মাস তাহাজ্জুদের জন্য উঠতে পারিনি।”

সুফিয়ান আস-সাওরি (রহ.) এর জীবনী দেখলে কে বলবে যে, তিনি এমনটা করতে পারেন! ইলম, ইবাদত ও আখলাকের দিক দিয়ে তিনি একজন অবাক- করা মানুষ ছিলেন।

এক ব্যক্তি হাসান আল-বাসরি (রাঃ)-এর কাছে এসে বললো,
“হে আবু সাঈদ[10], আমার ঘুম ভালো হয়, কোনো ধরনের দুশ্চিন্তা ও অসুস্থতাও নেই। আমি প্রতিদিন কিয়ামের জন্য বিছানার পাশে পানি প্রস্তুত রাখি কিন্ত কখনো সালাতের জন্য উঠতে পারি না।”

হাসান আল-বাসরি এ তাকে বললেন,
“তোমার পাপগুলো তোমাকে বেড়ি পরিয়ে রেখেছে, তোমার দিনের পাপ তোমাকে রাতে উঠতে দিচ্ছে না।”

সুতরাং এটাই নিয়ম, দিনের পাপ একজন মুসলিমকে রাতে তাহাজ্জুদ আদায়ের সম্মানলাভ থেকে বঞ্চিত করে।

আবু জাফর  (রাঃ) ও আহমাদ ইবনু ইয়াহয়িয়া (রাঃ) ছিলেন তাঁদের সময়কার বিখ্যাত আলিম ও আবিদ। তাঁরা দুজন বন্ধু ছিলেন।

আবু জাফর এ বলেন, “আমি একবার আহমাদ ইবনু ইয়াহয়িয়াকে দেখতে গেলাম, গিয়ে দেখি আহমাদ কাঁদছে।" বললাম, “আহমাদ, কাঁদছো কেন?” সে বললো, “আমি তাহাজ্জুদ আদায় করতে পারিনি।” আমি তাঁকে সান্ত্বনা দিয়ে বললাম, “আল্লাহ হয়তো চাইছেন তুমি একটু অবসর দাও।” আমি তাঁকে যতই একথা বলে আশ্বস্ত করছিলাম, সে আরও কান্না করছিলো। সে বললো, “না বরং আমার একটি গুনাহের কারণে এমনটা হয়েছে।”

কিয়াম হলো আল্লাহর ডাকে সাড়া দেয়া। এটা কীভাবে সম্ভব, আল্লাহ আপনাকে ডাকছেন অথচ আপনি তাঁর ডাকে সাড়া দিচ্ছেন না? কারও স্ত্রী, সন্তান কিংবা তার প্রিয় মানুষটি যদি তাকে মাঝরাতে ডেকে জিজ্ঞেস করে_ তুমি ঠিক আছো তো, তোমার কি কিছু লাগবে? সে তখন বলবে__আমি ঠিক আছি, সবকিছু ঠিক আছে, আমি ঠিক আছি প্রিয়, আমি ঠিক আছি বন্ধু, ঠিক আছি ভাই ইত্যাদি। এসব বলে সে আকর্ষণ অনুভব করবে। আপনার সহকরমী, অফিসের বস কিংবা কেউ যদি আপনাকে ফোনকল অথবা মেসেজ দিতো, আপনি এর উত্তর দিতেন। তারা যে আপনার খোঁজ নিচ্ছে এটা অন্তর দিয়ে উপলব্ধি করতেন। তাহলে এটা কীভাবে সম্ভব যে, আল্লাহ উ& আপনাকে ডাকছেন, আপনার প্রয়োজনের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করছেন কিন্তু আপনি তাঁর ডাকে সাড়া দিচ্ছেন না? নিঃসন্দেহে আল্লাহর নিদর্শনই সর্বোৎকৃষ্ট নিদর্শন।




পাদটিকাঃ
[1] তারাবিহ ও তাহাজ্জুদ একই সালাত হবার ব্যাপারে আলিমদের মাঝে ইখতিলাফ রয়েছে।
[2] সূরা আয যুমার, (৩৯) : ৯ আয়াত।
[3] সূরা আল ফুরকান, (২৫) : ৬৩-৬৪ আয়াত।
[4] সহীহ মুসলিম : ১৮০৭।
[5] মুসনাদু আহমাদ: ৭৪০৪; সুনানু আবি দাউদ: ১৩১০৩।
[6] সূরা আল কাসাস, (২৮) : ৫৬ আয়াত।
[7] সূরা তোয়াহা, (২০) : ১৩২ আয়াত।
[8] হাদীসটি শাইখ আল-আলবানি (রহ.)-এর মতে সহীহ। হাদীসের রাবিগণ সহীহ বুখারি ও সহীহ মুসলিম এর রাবির মতো।
[9] সূরা আল আহযাব, (৩৩) : ৩৫ আয়াত।
[10] হাসান আল-বাসরি (রাঃ)-এর উপনাম।